ইউআরএল স্লাগ জেনারেটর

একটি শিরোনাম দিন, একটি পরিষ্কার ওয়েব ঠিকানা পান: ছোট হাতের অক্ষর, লাতিন বর্ণে রূপান্তর, নিয়মিত বিভাজক। একসাথে রূপান্তর করতে প্রতি লাইনে একটি করে অনেকগুলো শিরোনাম পেস্ট করুন।

আপনার শিরোনাম
তৈরি স্লাগ
0 টি স্লাগ তৈরি 0 অক্ষর (সবচেয়ে দীর্ঘটি)

একটি ভালো স্লাগ মানেই বিনামূল্যের এসইও

পেজের ঠিকানা হলো সেই প্রথম জিনিসগুলোর একটি যা পাঠক এবং সার্চ ইঞ্জিন উভয়েই দেখে। একটি পরিষ্কার স্লাগ (ছোট, বর্ণনামূলক, ছোট হাতের অক্ষরে, হাইফেনসহ) ইউআরএলকে পাঠযোগ্য করে, "%C3%A9" ধরনের এনকোড করা অক্ষর এড়ায় এবং সার্চ ফলাফলে পেজটিকে এগিয়ে রাখে। এই টুলটি ঠিক সেটাই করে। মনে রাখবেন, বাংলা লিপিতে বড়/ছোট হাতের অক্ষরের পার্থক্য নেই এবং ইউআরএলে বাংলা অক্ষর সরাসরি ব্যবহারযোগ্য নয়: স্লাগ তৈরি হয় শিরোনামের লাতিন অক্ষর থেকে, তাই রোমান হরফে লেখা শিরোনাম (যেমন "Dhaka Metro Rail Guide") সবচেয়ে ভালো ফল দেয়।

পরামর্শ: স্লাগ ষাট অক্ষরের মধ্যে রাখুন এবং শিরোনাম দীর্ঘ হলে অপ্রয়োজনীয় শব্দ (যেমন এই, যে, এবং, থেকে, জন্য) বাদ দিন। শিরোনাম ও বিবরণের দৈর্ঘ্য যাচাই করতে আমাদের শব্দ কাউন্টার ব্যবহার করুন; আগে থেকে লেখা প্রস্তুত করতে টেক্সট ক্লিনার প্রথম ধাপটি সেরে দেয়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

ইউআরএল স্লাগ কী?

স্লাগ হলো ওয়েব ঠিকানার শেষের পাঠযোগ্য অংশ, যা পেজটির পরিচয় বহন করে: example.com/ilish-machher-recipe ঠিকানায় স্লাগ হলো "ilish-machher-recipe"। ছোট, বর্ণনামূলক এবং বিশেষ চিহ্নমুক্ত স্লাগ পাঠকদের কাছে সহজবোধ্য এবং সার্চ ইঞ্জিনও তা ভালোভাবে বুঝতে পারে।

অক্ষরগুলো কীভাবে রূপান্তরিত হয়?

স্লাগ তৈরি হয় শিরোনামের লাতিন অক্ষর থেকে: উচ্চারণচিহ্নযুক্ত লাতিন অক্ষর তাদের মূল অক্ষরে রূপান্তরিত হয় (é হয় e, à হয় a), অ্যাপস্ট্রফি বিভাজকে পরিণত হয় এবং অ্যাম্পারস্যান্ড "ebong" এ রূপান্তরিত হয়। বাংলা লিপির অক্ষর ইউআরএলে সরাসরি ব্যবহারযোগ্য নয়, তাই শিরোনামটি রোমান হরফে (যেমন "ইলিশ মাছের রেসিপি" এর বদলে "Ilish Machher Recipe") লিখে দিলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। বাকি সবকিছু অক্ষর, সংখ্যা ও হাইফেনে সীমাবদ্ধ থাকে।

ইউআরএলে হাইফেন নাকি আন্ডারস্কোর?

হাইফেনই বেছে নিন: Google হাইফেনকে শব্দ বিভাজক হিসেবে গণ্য করে, কিন্তু আন্ডারস্কোর শব্দগুলোকে জুড়ে দেয়। টুলটিতে দুটি বিভাজকই আছে, তবে এসইওর জন্য হাইফেনই সুপারিশকৃত।